ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত সায়েম সোবহান আনভীর বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এলো ক্যাফে আমাজন যুক্তরাজ্যে তদন্তাধীন, পাকিস্তানে জনপ্রতিনিধি হলেন রুখসার আহমেদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হোক জনগণের স্বার্থ দুর্নীতির পুরোনো জালে আটকে গেল জুলাইয়ের স্বপ্ন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এক টাকাও নয়, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের অস্ত্রোপচার করল বসুন্ধরা আই হসপিটাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ মোদির, অপেক্ষায় ভারত

সরকারের আশ্বাস ছাড়া সড়ক ছাড়বেন না আন্দোলনকারীরা

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০২:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৩৭ টাইম ভিউ

মালয়েশিয়া যেতে না পেরে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

লাখ লাখ টাকা জমা দিয়েও মালয়েশিয়া যেতে না পেরে আন্দোলন করছেন একদল বিদেশগামী। আন্দোলনকারীরা বলছেন প্রায় ১৮ হাজার লোক মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সিকে টাকা দিলেও তারা যেতে পারছেন না। তাই অন্তর্র্বতী সরকার তাদের আশ্বাস না দিলে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আজ (বুধবার) বেলা দেড়টাতে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান করছেন ওই আন্দোলনকারীরা।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, সরকার আশ্বাস দিলে তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যাবেন। না হলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

এ সময় অবস্থান কর্মসূচি থেকে ভুক্তভোগী মো. সাব্বির মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে টাকা দিয়ে বসে আছি কিন্তু আমাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এজেন্সির কাছে গেলে তারা টালবাহানা করে। তাই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই আমাদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা না করলে আমরা আন্দোলন বন্ধ করব না। আমরা চাই অন্তর্র্বতী সরকার আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। আশ্বাস পেলে আমরা রাস্তা ছেড়ে চলে যাব। তা না হলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ সময় তিনি সরকারের কাছে চার দফা দাবিও উপস্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে — গত ২০২৪ সালের ৩১ মে সিন্ডিকেটের কারণে যারা মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, সে সংখ্যা যতই হোক ২০ হাজার কিংবা ৩০ হাজার, সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে আটকে পড়া সকল কর্মীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যেতে হবে।

এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করছিলেন। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা কারওয়ানবাজার থেকে মিছিল নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে আসেন এবং রাস্তা অপরাধ করেন।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত

সরকারের আশ্বাস ছাড়া সড়ক ছাড়বেন না আন্দোলনকারীরা

আপডেট টাইম : ০২:১০:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৫

মালয়েশিয়া যেতে না পেরে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

লাখ লাখ টাকা জমা দিয়েও মালয়েশিয়া যেতে না পেরে আন্দোলন করছেন একদল বিদেশগামী। আন্দোলনকারীরা বলছেন প্রায় ১৮ হাজার লোক মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এজেন্সিকে টাকা দিলেও তারা যেতে পারছেন না। তাই অন্তর্র্বতী সরকার তাদের আশ্বাস না দিলে তারা আন্দোলন থেকে সরে আসবেন না।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আজ (বুধবার) বেলা দেড়টাতে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে রাস্তা অবরোধ করে অবস্থান করছেন ওই আন্দোলনকারীরা।

অবস্থান কর্মসূচি থেকে আন্দোলনকারীরা ঘোষণা দেন, সরকার আশ্বাস দিলে তারা রাস্তা ছেড়ে চলে যাবেন। না হলে তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

এ সময় অবস্থান কর্মসূচি থেকে ভুক্তভোগী মো. সাব্বির মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে টাকা দিয়ে বসে আছি কিন্তু আমাদের মালয়েশিয়া পাঠানোর কোনো ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। এজেন্সির কাছে গেলে তারা টালবাহানা করে। তাই আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি। আমরা সরকারের কাছে বলতে চাই আমাদের মালয়েশিয়া যাওয়ার ব্যবস্থা না করলে আমরা আন্দোলন বন্ধ করব না। আমরা চাই অন্তর্র্বতী সরকার আমাদের সঙ্গে কথা বলুক। আশ্বাস পেলে আমরা রাস্তা ছেড়ে চলে যাব। তা না হলে আমরা আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।

এ সময় তিনি সরকারের কাছে চার দফা দাবিও উপস্থাপন করেন। দাবির মধ্যে রয়েছে — গত ২০২৪ সালের ৩১ মে সিন্ডিকেটের কারণে যারা মালয়েশিয়া যেতে পারেননি, সে সংখ্যা যতই হোক ২০ হাজার কিংবা ৩০ হাজার, সবাইকে মালয়েশিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

ফেব্রুয়ারির ২০ তারিখের মধ্যে আটকে পড়া সকল কর্মীকে মালয়েশিয়া নিয়ে যেতে হবে।

এর আগে সকালে আন্দোলনকারীরা রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আন্দোলন করছিলেন। পরে পুলিশ তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়। এক পর্যায়ে আন্দোলনকারীরা কারওয়ানবাজার থেকে মিছিল নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ ভবনের সামনে আসেন এবং রাস্তা অপরাধ করেন।