ঢাকা , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিদ্যুৎ সংকটের দায় কার? নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও বর্তমান বাস্তবতা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে লোকসান ও বাজার সংস্কারের উদ্যোগ ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস দুর্নীতির অভিযোগে ঘেরা ইউনূস সরকারের উপদেষ্টারা, তদন্তের অপেক্ষায় দেশ আস্থা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ, গুলশানে হচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মডেল শাখা শিল্পের নামে নদী দখল, মেঘনার ২৪১ একর জমি উদ্ধারের সুপারিশ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক স্কোয়াশ ২০২৬ এর জমকালো সমাপনী ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক: দূরত্ব নয়, আলোচনার টেবিলেই সমাধান প্রশাসন, নিয়মিত অভিযান: রূপগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে সাফল্যের গল্প

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৮৪ টাইম ভিউ

​কোর্ট রিপোর্টার

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর বাবদ এনবিআর-এর পাওনা টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।
​মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।

​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”

​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের

ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট টাইম : ১১:০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

​কোর্ট রিপোর্টার

গ্রামীণ কল্যাণের কাছ থেকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠানটিকে ২০১২-১৩ থেকে ২০১৬-১৭ অর্থবছর পর্যন্ত আয়কর বাবদ এনবিআর-এর পাওনা টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।
​মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।

​রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”

​উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।