
ভোটের ফলাফল দ্রুত পৌঁছানোর জন্য টেলিফোন, ফ্যাক্স ও ইন্টারনেট সংযোগ সচল রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৬ পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
পরিপত্রে ভোট কেন্দ্রে ধূমপান থেকে বিরত রাখা ও দিয়াশলাই, লাইটারসহ দাহ্য পদার্থ বহনে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের ভিতরে বৈদ্যুতিক হিটার বা যেকোন ধরনের চুলা ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সাহসী ও নিরপেক্ষ কর্মকর্তাদের ভোট গ্রহণে নিযুক্ত করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে পরিপত্রে। রিটার্নিং অফিসারকে ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির সদস্যদের জন্য যানবাহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
যদিও ইসির আইন অনুযায়ী ভোটের কার্যক্রম বন্ধ করার বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ (এ) ধারায় বলা আছে, ‘বলপ্রয়োগ, ভীতিপ্রদর্শন, চাপ সৃষ্টিসহ অপকর্মের কারণে যুক্তিযুক্ত এবং আইনানুগভাবে যদি নির্বাচন পরিচালনা সম্ভব না হয়, তাখন নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র বা ক্ষেত্রমতে সম্পূর্ণ নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো পর্যায়ে ভোট গ্রহণসহ নির্বাচনী কার্যক্রম বন্ধ করতে পারবে।’


















