ঢাকা , সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত সায়েম সোবহান আনভীর বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও উদ্যোক্তা তৈরির নতুন সম্ভাবনা নিয়ে এলো ক্যাফে আমাজন যুক্তরাজ্যে তদন্তাধীন, পাকিস্তানে জনপ্রতিনিধি হলেন রুখসার আহমেদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হোক জনগণের স্বার্থ দুর্নীতির পুরোনো জালে আটকে গেল জুলাইয়ের স্বপ্ন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নয়, অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ এক টাকাও নয়, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চোখের অস্ত্রোপচার করল বসুন্ধরা আই হসপিটাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকসে আমন্ত্রণ মোদির, অপেক্ষায় ভারত

রূপগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়কারীর বাড়িতে হামলা-আগুন

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ১০:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪
  • ১৫৮ টাইম ভিউ

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের রূপগঞ্জের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলার অভিযোগ আসছে। এর মধ্যে কায়েতপাড়া ইউনিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে সমন্বয়কারী বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেটলি প্রতীকের আরেক সমর্থকে বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

জানা, নির্বাচনের ভোট গণণার সময় রাত সাড়ে ৯ টায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মোতালেব ভূঁইয়ার বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। বাড়িতে ভাঙচুরের পর আগুন লাগিয়ে দেয় একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক, তার ভাই মিজান, জসু, আলেক, নাপিত দুলালসহ আরো কয়েকজন।

এ প্রসঙ্গে হাজী মোতালেব ভূঁইয়া বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক, তার ভাই মিজান, জসু, আলেক, নাপিত দুলালসহ আরো কয়েকজন আমার বাড়িতে হামলা করে আগুন দেন। তারা সবাই মন্ত্রী গাজীর সমর্থক। বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনে সমন্বয় করায় এ হামলা করেছে।

তিনি বলেন, আমি শাহজাহান ভূইয়ার নির্বাচনে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করেছি। তাই তারা হামলা করে। আমি জরুরি নাম্বারে ফোন দিয়েছি। পুলিশ এখনও আসে নি।

এদিকে, মোতালেব ভূঁইয়ার বাড়িতে আগুন দেওয়া পর নাওড়া প্রাথমিক স্কুলের উত্তর পাশে থাকা দুলাল প্রধানের বাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়।

দুলাল প্রধান বলেন, আমি আওয়ামী লীগ করি। কিন্তু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে ভোট চাওয়ায় আমার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। আগুন দেওয়ার সময় রফিক গাড়িতে ছিলো। তার ভাই মিজানসহ বেশ কিছু সন্ত্রাসী ছিল।

তিনি বলেন, অন্ধকারে সবাইকে চিনতে পারি নাই। কিন্তু রাস্তার পাশের গাছের নিচে লুকিয়ে রফিকে দেখেছি।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুক্তিযুদ্ধ আছে, নেই জামায়াত

রূপগঞ্জে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচন সমন্বয়কারীর বাড়িতে হামলা-আগুন

আপডেট টাইম : ১০:১৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়ণগঞ্জ ১ আসনের রূপগঞ্জের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার কর্মী সমর্থকদের বাড়ি ঘরে হামলার অভিযোগ আসছে। এর মধ্যে কায়েতপাড়া ইউনিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে সমন্বয়কারী বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কেটলি প্রতীকের আরেক সমর্থকে বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।

জানা, নির্বাচনের ভোট গণণার সময় রাত সাড়ে ৯ টায় স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার কায়েতপাড়া ইউনিয়নের ১নং ওর্য়াডের আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মোতালেব ভূঁইয়ার বাড়িতে হামলা করা হয়েছে। বাড়িতে ভাঙচুরের পর আগুন লাগিয়ে দেয় একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক, তার ভাই মিজান, জসু, আলেক, নাপিত দুলালসহ আরো কয়েকজন।

এ প্রসঙ্গে হাজী মোতালেব ভূঁইয়া বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ওরফে আন্ডা রফিক, তার ভাই মিজান, জসু, আলেক, নাপিত দুলালসহ আরো কয়েকজন আমার বাড়িতে হামলা করে আগুন দেন। তারা সবাই মন্ত্রী গাজীর সমর্থক। বিরোধী প্রার্থীর নির্বাচনে সমন্বয় করায় এ হামলা করেছে।

তিনি বলেন, আমি শাহজাহান ভূইয়ার নির্বাচনে কায়েতপাড়া ইউনিয়নের সমন্বয়ক হিসাবে কাজ করেছি। তাই তারা হামলা করে। আমি জরুরি নাম্বারে ফোন দিয়েছি। পুলিশ এখনও আসে নি।

এদিকে, মোতালেব ভূঁইয়ার বাড়িতে আগুন দেওয়া পর নাওড়া প্রাথমিক স্কুলের উত্তর পাশে থাকা দুলাল প্রধানের বাড়িতেও আগুন দেওয়া হয়।

দুলাল প্রধান বলেন, আমি আওয়ামী লীগ করি। কিন্তু নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে ভোট চাওয়ায় আমার বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। আগুন দেওয়ার সময় রফিক গাড়িতে ছিলো। তার ভাই মিজানসহ বেশ কিছু সন্ত্রাসী ছিল।

তিনি বলেন, অন্ধকারে সবাইকে চিনতে পারি নাই। কিন্তু রাস্তার পাশের গাছের নিচে লুকিয়ে রফিকে দেখেছি।