ঢাকা , বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা: এক ছাদের নিচে দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন খাতের সরকারি সেবা ডিজিটাল করার দাবি রিহ্যাবের অর্থ পাচার ও সুইস ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধি, প্রশ্নের মুখে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি বিএনপি সরকারের চার মাস: সুন্দর পরিকল্পনাগুলো কেন আটকে যাচ্ছে? পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাতে চরম মন্দা: অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিশেষ প্রণোদনার তাগিদ পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ: গ্রামীণ বাংলাদেশের ভাগ্যবদল করছেন তারেক রহমান বাজেট ২০২৬-২৭: চ্যালেঞ্জ উত্তরণে ত্রিমুখী কৌশলের বিকল্প নেই ইউনূস সরকারের রেখে যাওয়া ‘অবসাদ’ ও আমলাতান্ত্রিক দেওয়াল: বাজেট বাস্তবায়নে মূল বাধা

বাবুগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ!শিক্ষা ব্যাবস্হা বিঘ্নিত

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৮৯ টাইম ভিউ

ফাহিম আহমেদ

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অসচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,শিক্ষিকা ও কর্মচারী বরিশাল জেলা প্রশাসক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মেরামত বরাদ্দের আওতায় ৬১ হাজার টাকার রং এবং ৫৯ হাজার টাকার চেয়ার-টেবিল কেনার দেখানো হলেও বাস্তবে তার কিছুই বিদ্যালয়ে আসেনি। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।এছাড়া শিক্ষকদের স্যানিটেশন সামগ্রী সরবরাহ না করে নিজ খরচে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ আছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার আচরণ সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন এবং কর্তৃত্বপরায়ণ। তিনি বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রতিনিয়ত চাপে রাখেন, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ না করে নিয়মিত তিরস্কারমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে বিগত দিনে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন দলের সহযোগিতায় অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে বিদ্যালয়ে একটি ভীতিকর ও অস্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকে।

এসব অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষিকা মোসা: আমেনা অস্বীকার করেন। তবে তিনি অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এক সহকারী শিক্ষিকা জানান, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার জন্য ভালো নয়, কারণ কিছু বিষয় নিয়ে ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।”

এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আল এমরান খন্দকার বলেন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্ব প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় এর একাধিক অভিভাবক বলেন, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হলে তা পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই দ্রুত তদন্ত ও পদক্ষেপ জরুরি।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা: এক ছাদের নিচে দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়

বাবুগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ!শিক্ষা ব্যাবস্হা বিঘ্নিত

আপডেট টাইম : ১১:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

ফাহিম আহমেদ

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অসচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,শিক্ষিকা ও কর্মচারী বরিশাল জেলা প্রশাসক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মেরামত বরাদ্দের আওতায় ৬১ হাজার টাকার রং এবং ৫৯ হাজার টাকার চেয়ার-টেবিল কেনার দেখানো হলেও বাস্তবে তার কিছুই বিদ্যালয়ে আসেনি। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।এছাড়া শিক্ষকদের স্যানিটেশন সামগ্রী সরবরাহ না করে নিজ খরচে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ আছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার আচরণ সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন এবং কর্তৃত্বপরায়ণ। তিনি বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রতিনিয়ত চাপে রাখেন, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ না করে নিয়মিত তিরস্কারমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে বিগত দিনে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন দলের সহযোগিতায় অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে বিদ্যালয়ে একটি ভীতিকর ও অস্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকে।

এসব অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষিকা মোসা: আমেনা অস্বীকার করেন। তবে তিনি অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এক সহকারী শিক্ষিকা জানান, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার জন্য ভালো নয়, কারণ কিছু বিষয় নিয়ে ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।”

এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আল এমরান খন্দকার বলেন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্ব প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় এর একাধিক অভিভাবক বলেন, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হলে তা পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই দ্রুত তদন্ত ও পদক্ষেপ জরুরি।