ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি ছয় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব একই বলয়ে *বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?* রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: ব্যক্তিস্বার্থ নাকি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা? ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিদ্যুৎ সংকটের দায় কার? নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও বর্তমান বাস্তবতা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে লোকসান ও বাজার সংস্কারের উদ্যোগ ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস দুর্নীতির অভিযোগে ঘেরা ইউনূস সরকারের উপদেষ্টারা, তদন্তের অপেক্ষায় দেশ আস্থা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ, গুলশানে হচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মডেল শাখা

বাবুগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ!শিক্ষা ব্যাবস্হা বিঘ্নিত

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৯৫ টাইম ভিউ

ফাহিম আহমেদ

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অসচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,শিক্ষিকা ও কর্মচারী বরিশাল জেলা প্রশাসক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মেরামত বরাদ্দের আওতায় ৬১ হাজার টাকার রং এবং ৫৯ হাজার টাকার চেয়ার-টেবিল কেনার দেখানো হলেও বাস্তবে তার কিছুই বিদ্যালয়ে আসেনি। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।এছাড়া শিক্ষকদের স্যানিটেশন সামগ্রী সরবরাহ না করে নিজ খরচে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ আছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার আচরণ সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন এবং কর্তৃত্বপরায়ণ। তিনি বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রতিনিয়ত চাপে রাখেন, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ না করে নিয়মিত তিরস্কারমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে বিগত দিনে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন দলের সহযোগিতায় অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে বিদ্যালয়ে একটি ভীতিকর ও অস্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকে।

এসব অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষিকা মোসা: আমেনা অস্বীকার করেন। তবে তিনি অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এক সহকারী শিক্ষিকা জানান, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার জন্য ভালো নয়, কারণ কিছু বিষয় নিয়ে ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।”

এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আল এমরান খন্দকার বলেন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্ব প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় এর একাধিক অভিভাবক বলেন, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হলে তা পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই দ্রুত তদন্ত ও পদক্ষেপ জরুরি।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি

বাবুগঞ্জে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ!শিক্ষা ব্যাবস্হা বিঘ্নিত

আপডেট টাইম : ১১:৩৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

ফাহিম আহমেদ

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক অসচ্ছতার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক,শিক্ষিকা ও কর্মচারী বরিশাল জেলা প্রশাসক, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবছরের মেরামত বরাদ্দের আওতায় ৬১ হাজার টাকার রং এবং ৫৯ হাজার টাকার চেয়ার-টেবিল কেনার দেখানো হলেও বাস্তবে তার কিছুই বিদ্যালয়ে আসেনি। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।এছাড়া শিক্ষকদের স্যানিটেশন সামগ্রী সরবরাহ না করে নিজ খরচে ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ার কথাও অভিযোগে উল্লেখ আছে।

অভিযোগকারীদের দাবি, প্রধান শিক্ষিকা মোসা আমেনার আচরণ সহকর্মীদের সঙ্গে অশোভন এবং কর্তৃত্বপরায়ণ। তিনি বিদ্যালয়ের পরিবেশকে প্রতিনিয়ত চাপে রাখেন, সহকারী শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ না করে নিয়মিত তিরস্কারমূলক ভাষা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়ে বিগত দিনে স্থানীয় একদল প্রভাবশালী ক্ষমতাসীন দলের সহযোগিতায় অনিয়মের মাধ্যমে সুবিধা নিয়ে আসছেন বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। এতে বিদ্যালয়ে একটি ভীতিকর ও অস্বচ্ছ প্রশাসনিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন অনেকে।

এসব অভিযোগের বিষয় প্রধান শিক্ষিকা মোসা: আমেনা অস্বীকার করেন। তবে তিনি অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়টি এড়িয়ে যান।

এক সহকারী শিক্ষিকা জানান, “বিদ্যালয়ের পরিবেশ শিক্ষার জন্য ভালো নয়, কারণ কিছু বিষয় নিয়ে ভেতরে অসন্তোষ রয়েছে।” বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম বলেন, “বিষয়টি তদন্ত হলে প্রকৃত সত্য উদঘাটিত হবে।”

এ ব্যাপারে বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আল এমরান খন্দকার বলেন অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছি দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্তপূর্ব প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় এর একাধিক অভিভাবক বলেন, একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হলে তা পুরো শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই দ্রুত তদন্ত ও পদক্ষেপ জরুরি।