ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাতে চরম মন্দা: অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিশেষ প্রণোদনার তাগিদ পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ: গ্রামীণ বাংলাদেশের ভাগ্যবদল করছেন তারেক রহমান বাজেট ২০২৬-২৭: চ্যালেঞ্জ উত্তরণে ত্রিমুখী কৌশলের বিকল্প নেই ইউনূস সরকারের রেখে যাওয়া ‘অবসাদ’ ও আমলাতান্ত্রিক দেওয়াল: বাজেট বাস্তবায়নে মূল বাধা ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ

ভূরাজনৈতিক সমীকরণে বাংলাদেশ নিয়ে সরব যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৬৫ টাইম ভিউ

ভৌগোলিক অবস্থান, ভূরাজনীতি ও সম্ভাবনাময় অর্থনীতির ফলে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে ক্ষমতাধর দেশগুলো। তাই ভূরাজনীতির সমীকরণে দেশটির আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরব বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া। নির্বাচনে নজর রাখছে ভারত-চীনসহ অন্যান্য দেশও।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। একদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে রাশিয়া। অন্যদিকে তাদের অভিযোগ অস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের দুই পরাশক্তির পাল্টাপাল্টি অবস্থানে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। ফলে দেশটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা ব্যাপক। ফলে বিশ্বের বৃহৎ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশে নিজেদের আধিপত্য রাখতে চায়।

বাংলাদেশে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সঙ্গে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এমন মন্তব্য করে ১৫ ডিসেম্বর বিবৃতি দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও মার্কিন দূতাবাস যেভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে এবং দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিতে তাদের কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত থাকবে

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনগণের ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সন্তোষজনক মনে না হলে ‘আরব বসন্তের’ মতো বাংলাদেশকে আরও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হতে পারে। এমন আশঙ্কার গুরুতর ভিত্তি রয়েছে যে আগামী সপ্তাহগুলোয় ‘পশ্চিমা শক্তিগুলোর পক্ষে অসুবিধাজনক’ বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নানান রকমের অবরোধ আরোপ হতে পারে। বাংলাদেশের শিল্প খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর ওপর আঘাত আসতে পারে। সেই সঙ্গে কিছু সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক রায় প্রদানে বাধাদানের তথ্যপ্রমাণহীন অভিযোগ তুলে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছিল রাশিয়া। তবে বরাবরই সেসব অস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস হস্তক্ষেপ করছেন বলে যে অভিযোগ করেছে রাশিয়া, তাকে নির্জলা মিথ্যা ও ‘ক্লাসিক্যাল প্রোপাগান্ডা’ বা স্রেফ রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগবিষয়ক সমন্বয়কারী জন কিরবি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও মার্কিন দূতাবাস যেভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে এবং দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে যেন সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিতে তাদের কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত থাকবে। অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে আমরা কোনো পক্ষ নিই না। বাংলাদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এ নীতির পরিবর্তন আসবে না। আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সমর্থন করি।

আমি মালয়েশিয়ায় ছিলাম সাড়ে পাঁচ বছর। ওখানে ১৪০-১৫০টা দেশের রাষ্ট্রদূত থাকেন। কিন্তু সেখানে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনোদিন কাউকে নাক গলাতে দেখিনি। ওদের নির্বাচন কীভাবে হয় সেটি দেখার বিষয়ে একবার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম। তারা বলেছিল, ‘আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ নেই। আমাদের মতো আমরা দেশ চালাবো। আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সাব্বির আহমেদ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, রাশিয়ার বক্তব্য গণমাধ্যমে যেভাবে এসেছে তাতে মনে হয়েছে তারা তাদের চিন্তা এবং তাদের মতামতটা দিয়েছে। এখন অনেকে হয়তো মনে করছে, এ বক্তব্যটা কোনো প্রভাব বিস্তার করবে কি না। এটি একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। তারা বলছে ‘আরব উত্থান’ যেভাবে হয়েছিল সেরকম একটা পরিস্থিতির কথা, আমার মনে হয় এরকম কিছু হবে না। এটা আমরা কেউই কামনা করি না। আমরা চাই রাষ্ট্রের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার স্যাংশনস, ভিসানীতিসহ অনেক কিছু শোনা যাচ্ছে। কিন্তু আমরা মনে করি এরকমও কিছু হবে না। এখানে একটা অস্পষ্টতা আছে। কে ভিসানীতির আওতায় স্যাংশনস পাবে সেটা স্পষ্ট নয়। এখানে বলা হয়েছে যারা বাধা দেবে। এখন বাধার ব্যাখ্যাটা কী বলছে তার ওপর নির্ভর করবে এটি বাধা নাকি সহযোগিতা। এটা খুবই একটি আপেক্ষিক বিষয়।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!

ভূরাজনৈতিক সমীকরণে বাংলাদেশ নিয়ে সরব যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া

আপডেট টাইম : ০৯:২৭:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ ডিসেম্বর ২০২৩

ভৌগোলিক অবস্থান, ভূরাজনীতি ও সম্ভাবনাময় অর্থনীতির ফলে আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ। আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে ক্ষমতাধর দেশগুলো। তাই ভূরাজনীতির সমীকরণে দেশটির আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরব বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া। নির্বাচনে নজর রাখছে ভারত-চীনসহ অন্যান্য দেশও।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। একদিকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলেছে রাশিয়া। অন্যদিকে তাদের অভিযোগ অস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের দুই পরাশক্তির পাল্টাপাল্টি অবস্থানে তৈরি হয়েছে শঙ্কা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। ফলে দেশটি আঞ্চলিক ভূরাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর ভূমিকা ব্যাপক। ফলে বিশ্বের বৃহৎ পরাশক্তিগুলো বাংলাদেশে নিজেদের আধিপত্য রাখতে চায়।

বাংলাদেশে চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সঙ্গে ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে, এমন মন্তব্য করে ১৫ ডিসেম্বর বিবৃতি দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও মার্কিন দূতাবাস যেভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে এবং দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিতে তাদের কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত থাকবে

বিবৃতিতে তিনি বলেন, জনগণের ভোটের ফলাফল যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সন্তোষজনক মনে না হলে ‘আরব বসন্তের’ মতো বাংলাদেশকে আরও অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হতে পারে। এমন আশঙ্কার গুরুতর ভিত্তি রয়েছে যে আগামী সপ্তাহগুলোয় ‘পশ্চিমা শক্তিগুলোর পক্ষে অসুবিধাজনক’ বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে নানান রকমের অবরোধ আরোপ হতে পারে। বাংলাদেশের শিল্প খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর ওপর আঘাত আসতে পারে। সেই সঙ্গে কিছু সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনে নাগরিকদের গণতান্ত্রিক রায় প্রদানে বাধাদানের তথ্যপ্রমাণহীন অভিযোগ তুলে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এর আগেও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেছিল রাশিয়া। তবে বরাবরই সেসব অস্বীকার করছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস হস্তক্ষেপ করছেন বলে যে অভিযোগ করেছে রাশিয়া, তাকে নির্জলা মিথ্যা ও ‘ক্লাসিক্যাল প্রোপাগান্ডা’ বা স্রেফ রটনা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কৌশলগত যোগাযোগবিষয়ক সমন্বয়কারী জন কিরবি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও মার্কিন দূতাবাস যেভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন, ভবিষ্যতেও সেভাবে কাজ চালিয়ে যাবেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা পূরণে এবং দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে যেন সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিতে তাদের কঠোর পরিশ্রম অব্যাহত থাকবে। অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে আমরা কোনো পক্ষ নিই না। বাংলাদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও এ নীতির পরিবর্তন আসবে না। আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সমর্থন করি।

আমি মালয়েশিয়ায় ছিলাম সাড়ে পাঁচ বছর। ওখানে ১৪০-১৫০টা দেশের রাষ্ট্রদূত থাকেন। কিন্তু সেখানে তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনোদিন কাউকে নাক গলাতে দেখিনি। ওদের নির্বাচন কীভাবে হয় সেটি দেখার বিষয়ে একবার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলাম। তারা বলেছিল, ‘আমাদের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ নেই। আমাদের মতো আমরা দেশ চালাবো। আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারও হস্তক্ষেপ প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।’

যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার এমন পাল্টাপাল্টি অবস্থানের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব সাব্বির আহমেদ চৌধুরী জাগো নিউজকে বলেন, রাশিয়ার বক্তব্য গণমাধ্যমে যেভাবে এসেছে তাতে মনে হয়েছে তারা তাদের চিন্তা এবং তাদের মতামতটা দিয়েছে। এখন অনেকে হয়তো মনে করছে, এ বক্তব্যটা কোনো প্রভাব বিস্তার করবে কি না। এটি একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। তারা বলছে ‘আরব উত্থান’ যেভাবে হয়েছিল সেরকম একটা পরিস্থিতির কথা, আমার মনে হয় এরকম কিছু হবে না। এটা আমরা কেউই কামনা করি না। আমরা চাই রাষ্ট্রের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমেরিকার স্যাংশনস, ভিসানীতিসহ অনেক কিছু শোনা যাচ্ছে। কিন্তু আমরা মনে করি এরকমও কিছু হবে না। এখানে একটা অস্পষ্টতা আছে। কে ভিসানীতির আওতায় স্যাংশনস পাবে সেটা স্পষ্ট নয়। এখানে বলা হয়েছে যারা বাধা দেবে। এখন বাধার ব্যাখ্যাটা কী বলছে তার ওপর নির্ভর করবে এটি বাধা নাকি সহযোগিতা। এটা খুবই একটি আপেক্ষিক বিষয়।