ঢাকা , মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তীব্র গরমে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পাশে রাজধানী মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি বসুন্ধরা খাতার আয়োজনে বিএম কলেজে মার্কেটিং ফেস্ট দেশের জেলা-উপজেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ: প্রেক্ষিত ঝিনাইদহ জেলা “ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত? সাভারে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা দোয়া ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক আলামিন খন্দকারের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: সামাজিক মাধ্যমে মানহানির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক তাহমিনা উদ্দিনের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: অপপ্রচার, ছবি বিকৃতি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ মামলা: সাইবার ট্রাইব্যুনালে এনামুল হক আরিফের মামলা বাজিতপুরে পিস্তল গুলি দেশীয় অস্ত্রসহ ২২ জন গ্রেফতার টগি ফান ওয়ার্ল্ডে উদযাপিত হলো হ্যালোইন উৎসব

ভোটের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জানেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৬:২৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১০১ টাইম ভিউ

নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হবে কি না তা জানেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দোহা সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গত পাঁচ বছরে ব্যর্থতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সাফল্যের কাহিনী আমি বলতে পারি। রোহিঙ্গারা এখনো যায়নি। সেটার প্রোগ্রেস (অগ্রগতি) অনেক ভালো। আমরা আশা করি যেকোনো সময় রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে। তবে রোহিঙ্গা শুধু বাংলাদেশ চাইলেই যে ফেরত যাবে আর মিয়ানমার চাইলে যে ফেরত যাবে তা নয়, অন্যান্য বহু প্রতিষ্ঠান অনেকেই চায় না ওরা ফেরত যাক। এটার সমস্যা আছে। কিন্তু আমার ধারণা দেয় উইল গো (তার ফেরত যাবে)।

চীনের উদ্যোগে যে পাইলট প্রকল্প হয়েছিল, আমরা আশা করেছিলাম নির্বাচনের আগে বা ডিসেম্বরে কিছু একটা হবে। কিন্তু অনাঙ্ক্ষিতভাবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা তৈরি হলো, ডিসেম্বরের মধ্যে এটি করা সম্ভব কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্পে আমরা বেশি অগ্রসর হয়েছিলাম। মিয়ানমার মোটামুটি রাজি হয়েছিল ওদের নিয়ে যাবে। মিয়ানমারের অনেক কর্মচারী বাংলাদেশে এসেছে, ওদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। রোহিঙ্গারা সবাই তার দেশে যেতে চায়। একটা পর্যায়ে মোটামুটি চলে যাওয়ার উদ্যোগ হয়। তখন কিছু বিদেশি শক্তি আমাদের বললো যে ওখানে পাঠিয়েন না। ওদের আমরা নিয়ে যাবো। কিন্তু তারা কাউকে নেয় নাই, অল্প কয়েকজনকে নিয়েছে। তারা বললো যে আপনার দেশে ১৭০ মিলিয়ন লোক আছে আরও এক মিলিয়ন নিলে কোনো ঝামেলা হবে না। ওদের বরং স্কিল ট্রেনিং দিয়ে রেখে দেন। এজন্য এটার ধীরগতি হলো।

 

 

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

তীব্র গরমে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পাশে রাজধানী মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি

ভোটের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে জানেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৬:২৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৩

নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন হবে কি না তা জানেন না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দোহা সফর শেষে দেশে ফিরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গত পাঁচ বছরে ব্যর্থতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার সাফল্যের কাহিনী আমি বলতে পারি। রোহিঙ্গারা এখনো যায়নি। সেটার প্রোগ্রেস (অগ্রগতি) অনেক ভালো। আমরা আশা করি যেকোনো সময় রোহিঙ্গারা ফেরত যাবে। তবে রোহিঙ্গা শুধু বাংলাদেশ চাইলেই যে ফেরত যাবে আর মিয়ানমার চাইলে যে ফেরত যাবে তা নয়, অন্যান্য বহু প্রতিষ্ঠান অনেকেই চায় না ওরা ফেরত যাক। এটার সমস্যা আছে। কিন্তু আমার ধারণা দেয় উইল গো (তার ফেরত যাবে)।

চীনের উদ্যোগে যে পাইলট প্রকল্প হয়েছিল, আমরা আশা করেছিলাম নির্বাচনের আগে বা ডিসেম্বরে কিছু একটা হবে। কিন্তু অনাঙ্ক্ষিতভাবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সমস্যা তৈরি হলো, ডিসেম্বরের মধ্যে এটি করা সম্ভব কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্পে আমরা বেশি অগ্রসর হয়েছিলাম। মিয়ানমার মোটামুটি রাজি হয়েছিল ওদের নিয়ে যাবে। মিয়ানমারের অনেক কর্মচারী বাংলাদেশে এসেছে, ওদের সঙ্গে আলাপ করেছেন। রোহিঙ্গারা সবাই তার দেশে যেতে চায়। একটা পর্যায়ে মোটামুটি চলে যাওয়ার উদ্যোগ হয়। তখন কিছু বিদেশি শক্তি আমাদের বললো যে ওখানে পাঠিয়েন না। ওদের আমরা নিয়ে যাবো। কিন্তু তারা কাউকে নেয় নাই, অল্প কয়েকজনকে নিয়েছে। তারা বললো যে আপনার দেশে ১৭০ মিলিয়ন লোক আছে আরও এক মিলিয়ন নিলে কোনো ঝামেলা হবে না। ওদের বরং স্কিল ট্রেনিং দিয়ে রেখে দেন। এজন্য এটার ধীরগতি হলো।