ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
অসহায় মানুষের ভরসাস্থল গাজীপুরের ডিসি: মানবিক বাংলাদেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নতুন বাংলাদেশকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রস্তুতি, নিউইয়র্কে তারেক রহমান অভাব পেরিয়ে স্বাবলম্বিতার পথে বান্দরবানের ১০০ নারী কমব্যাট স্পোর্টসের বিশ্বমানচিত্রে বাংলাদেশ: নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো ‘জেডএফসি জুলকান ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশীপ: শুরু হচ্ছে ZFC 2: Pride of Bangladesh জ্বালানি খাতের সাবেক কর্তাদের নতুন ঠিকানা এজাজের প্রতিষ্ঠান আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি ছয় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব একই বলয়ে *বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?* রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: ব্যক্তিস্বার্থ নাকি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা?

গ্রিন এনার্জিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে আদানি গ্রুপ

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৫:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৮৯ টাইম ভিউ

আগামী ১০ বছরে গ্রিন এনার্জি প্রকল্পে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের বৃহত্তম বহুজাতিক সংস্থা আদানি গ্রুপ।

সংস্থাটি তাদের বছরের প্রথমার্ধে ইএসজি (এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড করপোরেট গভর্ন্যান্স) বিষয়ক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ বিবরণীতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানো (ডিকার্বনাইজেশন) এবং বিশ্বব্যাপী শূন্য কার্বন নিঃসরণের (নেট জিরো) যাত্রায় সহায়তার লক্ষ্য পূরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানানো হয়।

২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উদ্দেশ্য রয়েছে ভারতের গ্রিন এনার্জি উৎপাদনে এগিয়ে থাকা এ প্রতিষ্ঠান। সে ক্ষেত্রে পোর্টফোলিওর ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে আদানি।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আদানি গ্রিন এনার্জি, আদানি এনার্জি সল্যুশন্স, আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড, এসিসি এবং আম্বুজা সিমেন্ট। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নবায়নযোগ্য প্রকল্প হাতে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কার্যক্রমে বিদ্যুতায়ন করছে এবং জৈব জ্বালানি গ্রহণ করছে। এছাড়া বর্জ্য তাপ পুনরুদ্ধারকে কাজে লাগানো এবং জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তিও স্থাপন করছে এ ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো।

কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশলগত পরিকল্পনাও রয়েছে আদানির। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন গাছ লাগানো এবং হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ ফুয়েল সেল ইলেকট্রিক ট্রাক (এফসিইটি) উন্নয়নের মতো বিভিন্ন উদ্ভাবনী পাইলট প্রকল্প গ্রহণও এ পরিকল্পনার অংশ। এছাড়া গুজরাটের পশ্চিম তীরে একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত ভ্যালু চেইনের সহায়তায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্রিন হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে আদানি পোর্টফোলিও।

আদানির ‘নেট জিরো ট্রানজিশন’ রোডম্যাপের লক্ষ্য পূরণের জন্য শেষ সময় পর্যন্ত গ্রিন হাইড্রোজেন সমাধানের প্রয়োজন হবে। গ্রিন হাইড্রোজেন গ্রহণকে আরও সহজ করতে, আদানির বৃহৎ পরিসরে নবায়নযোগ্য এবং সম্পূর্ণ সমন্বিত উৎপাদন প্রকল্পের একটি ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে। যেখানে একই জায়গায় সব ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিওরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) সক্ষমতার প্রকল্প পরিচালনা করা হয়। এ জ্বালানি রূপান্তর সক্ষমতা অর্জনের জন্য আদানি পোর্টফোলিও’র অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগামী এক দশকে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

অসহায় মানুষের ভরসাস্থল গাজীপুরের ডিসি: মানবিক বাংলাদেশ গড়ার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত

গ্রিন এনার্জিতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে আদানি গ্রুপ

আপডেট টাইম : ০৫:২৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

আগামী ১০ বছরে গ্রিন এনার্জি প্রকল্পে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে ভারতের বৃহত্তম বহুজাতিক সংস্থা আদানি গ্রুপ।

সংস্থাটি তাদের বছরের প্রথমার্ধে ইএসজি (এনভায়রনমেন্টাল, সোশ্যাল অ্যান্ড করপোরেট গভর্ন্যান্স) বিষয়ক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এ বিবরণীতে প্রতিষ্ঠানটি তাদের কার্বন নিঃসরণ কমানো (ডিকার্বনাইজেশন) এবং বিশ্বব্যাপী শূন্য কার্বন নিঃসরণের (নেট জিরো) যাত্রায় সহায়তার লক্ষ্য পূরণে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বলে জানানো হয়।

২০৫০ সালের মধ্যে শূন্য কার্বন নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণের উদ্দেশ্য রয়েছে ভারতের গ্রিন এনার্জি উৎপাদনে এগিয়ে থাকা এ প্রতিষ্ঠান। সে ক্ষেত্রে পোর্টফোলিওর ৫টি প্রতিষ্ঠানকে সামনে রেখে কাজ করে যাচ্ছে আদানি।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আদানি গ্রিন এনার্জি, আদানি এনার্জি সল্যুশন্স, আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড, এসিসি এবং আম্বুজা সিমেন্ট। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নবায়নযোগ্য প্রকল্প হাতে নেওয়ার পাশাপাশি তাদের কার্যক্রমে বিদ্যুতায়ন করছে এবং জৈব জ্বালানি গ্রহণ করছে। এছাড়া বর্জ্য তাপ পুনরুদ্ধারকে কাজে লাগানো এবং জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তিও স্থাপন করছে এ ব্যবসায়িক সংস্থাগুলো।

কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশলগত পরিকল্পনাও রয়েছে আদানির। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন গাছ লাগানো এবং হাইড্রোজেন সমৃদ্ধ ফুয়েল সেল ইলেকট্রিক ট্রাক (এফসিইটি) উন্নয়নের মতো বিভিন্ন উদ্ভাবনী পাইলট প্রকল্প গ্রহণও এ পরিকল্পনার অংশ। এছাড়া গুজরাটের পশ্চিম তীরে একটি সম্পূর্ণ সমন্বিত ভ্যালু চেইনের সহায়তায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ গ্রিন হাইড্রোজেন ইকোসিস্টেম তৈরির পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে আদানি পোর্টফোলিও।

আদানির ‘নেট জিরো ট্রানজিশন’ রোডম্যাপের লক্ষ্য পূরণের জন্য শেষ সময় পর্যন্ত গ্রিন হাইড্রোজেন সমাধানের প্রয়োজন হবে। গ্রিন হাইড্রোজেন গ্রহণকে আরও সহজ করতে, আদানির বৃহৎ পরিসরে নবায়নযোগ্য এবং সম্পূর্ণ সমন্বিত উৎপাদন প্রকল্পের একটি ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে। যেখানে একই জায়গায় সব ইপিসি (ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিওরমেন্ট অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন) সক্ষমতার প্রকল্প পরিচালনা করা হয়। এ জ্বালানি রূপান্তর সক্ষমতা অর্জনের জন্য আদানি পোর্টফোলিও’র অঙ্গ-প্রতিষ্ঠানগুলোতে আগামী এক দশকে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে।