ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
“ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত? সাভারে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা দোয়া ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক আলামিন খন্দকারের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: সামাজিক মাধ্যমে মানহানির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক তাহমিনা উদ্দিনের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: অপপ্রচার, ছবি বিকৃতি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ মামলা: সাইবার ট্রাইব্যুনালে এনামুল হক আরিফের মামলা বাজিতপুরে পিস্তল গুলি দেশীয় অস্ত্রসহ ২২ জন গ্রেফতার টগি ফান ওয়ার্ল্ডে উদযাপিত হলো হ্যালোইন উৎসব সাভারে ছায়াবিথী এলাকায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধান অতিথি লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম বসুন্ধরার আই ব্লকে উদ্বোধন করা হলো ‘হেরিটেজ সুইটস’ এর ২য় শাখা সম্পাদক জাকির হোসেনের মায়ের চোখে অস্ত্রোপচার আজ — দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা

হেফাজতে ইসলামের মে ৩ মহাসমাবেশ: রাষ্ট্রের নীরবতা বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক!

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৬:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • ৪৪৩ টাইম ভিউ

সুমিয়া সিমু- যুক্তরাজ্য

৩ মে ২০২৫, সুহরাওয়ার্দী উদ্যান। হাজার হাজার হেফাজত অনুসারীর স্লোগানে ঢাকা কেঁপে উঠেছিল। কিন্তু এটি কোনো ধর্মীয় আয়োজন নয়- এটি ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধ।

এই মহাসমাবেশের মঞ্চ থেকে যে বিষ উগরে দেওয়া হয়েছে, তা কেবল সংখ্যালঘুদের নয়, পুরো বাংলাদেশের জন্য হুমকি। নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানোর আহ্বান, মুক্তচিন্তার বিরুদ্ধে হুমকি, এবং “শুধু ইসলামই রাষ্ট্রের আইন” – এ যেন বাংলাদেশের উপর খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো রাষ্ট্রের লজ্জাজনক নীরবতা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল, কিন্তু তাদের চোখে মুখে ভয় এবং আত্মসমর্পণ। এ যেন সরকারের নীরব সমর্থন – অথবা কৌশলগত মিত্রতা।

আমাদের ইতিহাস প্রমাণ করেছে, যখন উগ্রবাদীরা রাস্তা দখল করে এবং রাষ্ট্র নীরব থাকে, তখনই রক্ত ঝরে। ২০১৩ সালে যেমন ঘটেছিল, আজও সেই অশুভ ছায়া ফিরে এসেছে। হেফাজতের মে ৩ মহাসমাবেশ একটি সতর্কবার্তা নয়, এটি বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক।
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল হয়তো এই সমাবেশের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা হবে – বাংলাদেশ এখন তালেবান রাষ্ট্র।
বাংলাদেশের মানুষকে বেছে নিতে হবে – আমরা কি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়ানো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই, নাকি হেফাজতের উগ্রপন্থার দাসত্বে মাথা নত করব?

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

“ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত?

হেফাজতে ইসলামের মে ৩ মহাসমাবেশ: রাষ্ট্রের নীরবতা বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক!

আপডেট টাইম : ০৬:২২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

সুমিয়া সিমু- যুক্তরাজ্য

৩ মে ২০২৫, সুহরাওয়ার্দী উদ্যান। হাজার হাজার হেফাজত অনুসারীর স্লোগানে ঢাকা কেঁপে উঠেছিল। কিন্তু এটি কোনো ধর্মীয় আয়োজন নয়- এটি ছিল বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে ঘোষিত যুদ্ধ।

এই মহাসমাবেশের মঞ্চ থেকে যে বিষ উগরে দেওয়া হয়েছে, তা কেবল সংখ্যালঘুদের নয়, পুরো বাংলাদেশের জন্য হুমকি। নারীকে দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক বানানোর আহ্বান, মুক্তচিন্তার বিরুদ্ধে হুমকি, এবং “শুধু ইসলামই রাষ্ট্রের আইন” – এ যেন বাংলাদেশের উপর খোলা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া।
সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো রাষ্ট্রের লজ্জাজনক নীরবতা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল, কিন্তু তাদের চোখে মুখে ভয় এবং আত্মসমর্পণ। এ যেন সরকারের নীরব সমর্থন – অথবা কৌশলগত মিত্রতা।

আমাদের ইতিহাস প্রমাণ করেছে, যখন উগ্রবাদীরা রাস্তা দখল করে এবং রাষ্ট্র নীরব থাকে, তখনই রক্ত ঝরে। ২০১৩ সালে যেমন ঘটেছিল, আজও সেই অশুভ ছায়া ফিরে এসেছে। হেফাজতের মে ৩ মহাসমাবেশ একটি সতর্কবার্তা নয়, এটি বাংলাদেশের কফিনে শেষ পেরেক।
আজ যদি আমরা চুপ থাকি, কাল হয়তো এই সমাবেশের মঞ্চ থেকেই ঘোষণা হবে – বাংলাদেশ এখন তালেবান রাষ্ট্র।
বাংলাদেশের মানুষকে বেছে নিতে হবে – আমরা কি মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের উপর দাঁড়ানো ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চাই, নাকি হেফাজতের উগ্রপন্থার দাসত্বে মাথা নত করব?