ঢাকা , বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি ছয় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব একই বলয়ে *বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?* রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: ব্যক্তিস্বার্থ নাকি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা? ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিদ্যুৎ সংকটের দায় কার? নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও বর্তমান বাস্তবতা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে লোকসান ও বাজার সংস্কারের উদ্যোগ ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস দুর্নীতির অভিযোগে ঘেরা ইউনূস সরকারের উপদেষ্টারা, তদন্তের অপেক্ষায় দেশ আস্থা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ, গুলশানে হচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মডেল শাখা

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৮৪ টাইম ভিউ

স্পোর্টস রিপোর্টার:

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার সিঙ্গাপুরের আরবিন্দ লালওয়ানি। তিনি শুক্রবার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনার উদ্যোগে দুই দিনের জন্য ঢাকায় এসেছেন। তিনি জুলকানে বাংলাদেশি বক্সারদের নিয়ে একটা বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শুরু করেছেন।
প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান এরিনার সুযোগ সুবিধা গুলো বিশ্বমানের। এই সুযোগ-সুবিধা দেখে আমি মুগ্ধ। সিঙ্গাপুরের ক্লাবগুলোতেও এ রকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নেই। বিশ্বে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করলেও এই ক্লাব উপরের দিকেই থাকবে। অনেক দেশেই বক্সিংয়ের এ রকম সুযোগ-সুবিধা নেই। ভালো মানের বক্সার তৈরি করতে হলে সব কিছুই উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ। ভবিষ্যতে এটা আরো এগিয়ে যাবে।


উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর ট্রেইনার এঞ্জেলো ডান্ডি এর অধীনে অনুশীলন করেছেন।
লালওয়ানি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতার মান পাল্টে দিতে পারে।
এই উদ্যোগকে ঘিরে আয়োজকেরা আশাবাদী যে বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
ওই ক্যাম্পে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বক্সিংকে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলায় পরিণত করা। আমরা চাই আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাক।
প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ঘিরে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

আইসিসিবির সুবিশাল পরিসরের ট্যুরিজম ফেয়ারে মিলবে পর্যটনের হাতছানি

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটিতে কিংবদন্তি বক্সার আরবিন্দ লালওয়ানি

আপডেট টাইম : ০৩:৫৯:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

স্পোর্টস রিপোর্টার:

এশিয়ার কিংবদন্তি বক্সার সিঙ্গাপুরের আরবিন্দ লালওয়ানি। তিনি শুক্রবার বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির জুলকান ইনডোর এরিনার উদ্যোগে দুই দিনের জন্য ঢাকায় এসেছেন। তিনি জুলকানে বাংলাদেশি বক্সারদের নিয়ে একটা বিশেষ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শুরু করেছেন।
প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে আরবিন্দ লালওয়ানি বলেন, “জুলকান এরিনার সুযোগ সুবিধা গুলো বিশ্বমানের। এই সুযোগ-সুবিধা দেখে আমি মুগ্ধ। সিঙ্গাপুরের ক্লাবগুলোতেও এ রকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নেই। বিশ্বে অন্য কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা করলেও এই ক্লাব উপরের দিকেই থাকবে। অনেক দেশেই বক্সিংয়ের এ রকম সুযোগ-সুবিধা নেই। ভালো মানের বক্সার তৈরি করতে হলে সব কিছুই উন্নত হতে হবে। জুলকান অ্যারেনা এককথায় দারুণ। ভবিষ্যতে এটা আরো এগিয়ে যাবে।


উল্লেখ্য, আরবিন্দ লালওয়ানি সরাসরি মোহাম্মদ আলীর ট্রেইনার এঞ্জেলো ডান্ডি এর অধীনে অনুশীলন করেছেন।
লালওয়ানি আরও বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ বাংলাদেশের বক্সিংয়ের মান ও সক্ষমতার মান পাল্টে দিতে পারে।
এই উদ্যোগকে ঘিরে আয়োজকেরা আশাবাদী যে বসুন্ধরার এই প্রচেষ্টা বাংলাদেশের বক্সিংয়ে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দেবে।
ওই ক্যাম্পে বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোঃ মোহসিনুল করিম বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে বক্সিংকে বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় খেলায় পরিণত করা। আমরা চাই আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণরা নতুন উচ্চতায় পৌঁছাক।
প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ঘিরে স্থানীয় প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশি বক্সিংকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার পথে আরবিন্দ লালওয়ানির এই সফর নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। বসুন্ধরার এই উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং দেশের বক্সিং খেলাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে।