ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছয় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব একই বলয়ে *বিদ্যুতের পুঞ্জীভূত সংকটে শুধু মন্ত্রীকে দোষারোপ কতটা যৌক্তিক?* রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: ব্যক্তিস্বার্থ নাকি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা? ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ হাইকোর্টের বিদ্যুৎ সংকটের দায় কার? নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও বর্তমান বাস্তবতা বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে লোকসান ও বাজার সংস্কারের উদ্যোগ ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প: মাঠ কাঁপাতে প্রস্তুত বসুন্ধরা কিংস দুর্নীতির অভিযোগে ঘেরা ইউনূস সরকারের উপদেষ্টারা, তদন্তের অপেক্ষায় দেশ আস্থা ফেরাতে নতুন উদ্যোগ, গুলশানে হচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের মডেল শাখা শিল্পের নামে নদী দখল, মেঘনার ২৪১ একর জমি উদ্ধারের সুপারিশ

নির্বাচন তো ৩০ নভেম্বর ভাগাভাগি করে হয়ে গেছে: মঈন খান

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৬:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ২০৪ টাইম ভিউ

৭ জানুয়ারি কীসের নির্বাচন হবে প্রশ্ন রেখে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, এ নির্বাচন তো ৩০ নভেম্বর ভোট ভাগাভাগি করে হয়ে গেছে। সেই নির্বাচনের ফলাফলও সরকারের হেডকোয়ার্টারে নির্ধারণ হয়েছে।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আলোচনা সভার আয়োজন করে ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্ট।

মঈন খান বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভোট ভাগাভাগি এমন পর্যায়ে গেছে, তাদের লজ্জা বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। এর থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের যে যেখানে আছি, যেভাবে পারি এ সরকারের প্রতিবাদ করতে হবে। সরকারের অপকর্মের বাধা দিতে হবে। এ সরকারকে অপসারণ করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্য সরকার প্রতিষ্ঠা করবো।

দেশের মানুষ ধনসম্পদ চায় না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তারা পাঁচ বছর পর পর একদিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে চায়। এটাই হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার যদি আমরা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে না পারি, তাহলে আমরা যা কিছু বলছি, যা কিছু করছি সব অর্থহীন হয়ে যাবে। আসুন আমরা এই সরকারকে অপসারণ করে দেশের মানুষের ভোটের মৌলিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে আন্দোলনকে ঐক্যবদ্ধভাবে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট বাকশালী সরকারকে অপসারণ করে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন-সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে আমরা রাজপথে আছি। পাশাপাশি এ বিষয়ে আলোচনা, সেমিনার, মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কাজগুলো করতে হবে। প্রতিটি আন্দোলনের যেসব পন্থা আছে, সেই প্রতিটি পন্থায় আমাদের এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আরোপ করতে হবে। আমরা সেমিনার করবো, রাজপথে প্রতিবাদ করবো, সরকারের সমালোচনা করবো, প্রয়োজনে সরকারকে বিদায়ের রাস্তা দেখিয়ে দেবো। কোনো কাজেই আমরা পিছিয়ে থাকবো না।

তিনি আরও বলেন, আমরা এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই। গণতন্ত্র একটি শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া। গণতন্ত্রের ভেতরে কোথাও সংঘাতের সুযোগ নেই। এখানে

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

ছয় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীর স্থানীয় প্রতিনিধিত্ব একই বলয়ে

নির্বাচন তো ৩০ নভেম্বর ভাগাভাগি করে হয়ে গেছে: মঈন খান

আপডেট টাইম : ০৬:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৩

৭ জানুয়ারি কীসের নির্বাচন হবে প্রশ্ন রেখে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, এ নির্বাচন তো ৩০ নভেম্বর ভোট ভাগাভাগি করে হয়ে গেছে। সেই নির্বাচনের ফলাফলও সরকারের হেডকোয়ার্টারে নির্ধারণ হয়েছে।

শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে আলোচনা সভার আয়োজন করে ইউনাইটেড ল’ইয়ার্স ফ্রন্ট।

মঈন খান বলেন, এ নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনার প্রয়োজন নেই। নির্বাচন নিয়ে সরকারের ভোট ভাগাভাগি এমন পর্যায়ে গেছে, তাদের লজ্জা বলতে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। এর থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের যে যেখানে আছি, যেভাবে পারি এ সরকারের প্রতিবাদ করতে হবে। সরকারের অপকর্মের বাধা দিতে হবে। এ সরকারকে অপসারণ করে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য অন্য সরকার প্রতিষ্ঠা করবো।

দেশের মানুষ ধনসম্পদ চায় না জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তারা পাঁচ বছর পর পর একদিন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ইচ্ছামতো ভোট দিতে চায়। এটাই হচ্ছে মানুষের মৌলিক অধিকার। এই অধিকার যদি আমরা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে না পারি, তাহলে আমরা যা কিছু বলছি, যা কিছু করছি সব অর্থহীন হয়ে যাবে। আসুন আমরা এই সরকারকে অপসারণ করে দেশের মানুষের ভোটের মৌলিক অধিকার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে আন্দোলনকে ঐক্যবদ্ধভাবে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যাই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, বর্তমান ফ্যাসিস্ট বাকশালী সরকারকে অপসারণ করে এদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যে আন্দোলন-সংগ্রাম, সেই সংগ্রামে আমরা রাজপথে আছি। পাশাপাশি এ বিষয়ে আলোচনা, সেমিনার, মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার কাজগুলো করতে হবে। প্রতিটি আন্দোলনের যেসব পন্থা আছে, সেই প্রতিটি পন্থায় আমাদের এই স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আরোপ করতে হবে। আমরা সেমিনার করবো, রাজপথে প্রতিবাদ করবো, সরকারের সমালোচনা করবো, প্রয়োজনে সরকারকে বিদায়ের রাস্তা দেখিয়ে দেবো। কোনো কাজেই আমরা পিছিয়ে থাকবো না।

তিনি আরও বলেন, আমরা এদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে চাই। গণতন্ত্র একটি শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়া। গণতন্ত্রের ভেতরে কোথাও সংঘাতের সুযোগ নেই। এখানে