ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা: এক ছাদের নিচে দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন খাতের সরকারি সেবা ডিজিটাল করার দাবি রিহ্যাবের অর্থ পাচার ও সুইস ব্যাংকে আমানত বৃদ্ধি, প্রশ্নের মুখে বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি বিএনপি সরকারের চার মাস: সুন্দর পরিকল্পনাগুলো কেন আটকে যাচ্ছে? পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাতে চরম মন্দা: অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিশেষ প্রণোদনার তাগিদ পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ: গ্রামীণ বাংলাদেশের ভাগ্যবদল করছেন তারেক রহমান বাজেট ২০২৬-২৭: চ্যালেঞ্জ উত্তরণে ত্রিমুখী কৌশলের বিকল্প নেই ইউনূস সরকারের রেখে যাওয়া ‘অবসাদ’ ও আমলাতান্ত্রিক দেওয়াল: বাজেট বাস্তবায়নে মূল বাধা

আমরা তো রাজনীতি করি না, স্ত্রী-সন্তানকে কেন পুড়িয়ে মারা হলো?

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৫৬ টাইম ভিউ

দুই সন্তান নিয়ে গত ৩ ডিসেম্বর গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় যান নাদিরা আক্তার পপি (৩৫)। সঙ্গে গিয়েছিলেন নাদিরার ভাই হাবিবুর রহমান (২০)। ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে গতকাল সোমবার রাতে ওঠেন মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে। তবে কে জানতো, এই যাত্রা হবে তাদের অন্তিম যাত্রা। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর পাঁচটার পরে রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই আগুনে পুড়ে মারা যান নাদিরা আক্তার পপি ও তার তিন বছরের শিশুসন্তান ইয়াসিন। এ ঘটনায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত ওই দুই পুরুষের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি।

তিন বছরের শিশু সন্তানকে বুকে আঁকড়ে ধরেই পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন নাদিরা আক্তার পপি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রী-সন্তানের এমন মরদেহ দেখে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন পপির স্বামী মিজানুর রহমান। চোখ মুছতে মুছতে তিনি বলছিলেন, ‘কে জানতো এভাবে আমার স্ত্রী-সন্তান আগুনে পুড়ে মরবে। আমরাতো রাজনীতি করি না, রজনীতির খোঁজও রাখি না। কিন্তু কেন আমার স্ত্রী-সন্তানকে পুড়িয়ে মারা হলো? এর জবাব কে দেবে? কার কাছে বিচার চাইবো?’

তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী পুড়ে গেছেন তবুও সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে আছেন। পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে, চেনাই দায়। তবুও দেখা যাচ্ছে দুই হাত দিয়ে তিন বছরের সন্তানকে জড়িয়ে ধরে আছেন।’

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষামেলা: এক ছাদের নিচে দেশ-বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়

আমরা তো রাজনীতি করি না, স্ত্রী-সন্তানকে কেন পুড়িয়ে মারা হলো?

আপডেট টাইম : ০৯:০৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৩

দুই সন্তান নিয়ে গত ৩ ডিসেম্বর গ্রামের বাড়ি নেত্রকোনায় যান নাদিরা আক্তার পপি (৩৫)। সঙ্গে গিয়েছিলেন নাদিরার ভাই হাবিবুর রহমান (২০)। ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে গতকাল সোমবার রাতে ওঠেন মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে। তবে কে জানতো, এই যাত্রা হবে তাদের অন্তিম যাত্রা। মঙ্গলবার (১৯ ডিসেম্বর) ভোর পাঁচটার পরে রাজধানীর তেজগাঁও স্টেশনে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা। ওই আগুনে পুড়ে মারা যান নাদিরা আক্তার পপি ও তার তিন বছরের শিশুসন্তান ইয়াসিন। এ ঘটনায় আরও দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত ওই দুই পুরুষের পরিচয় এখনো শনাক্ত হয়নি।

তিন বছরের শিশু সন্তানকে বুকে আঁকড়ে ধরেই পুড়ে অঙ্গার হয়েছেন নাদিরা আক্তার পপি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্ত্রী-সন্তানের এমন মরদেহ দেখে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন পপির স্বামী মিজানুর রহমান। চোখ মুছতে মুছতে তিনি বলছিলেন, ‘কে জানতো এভাবে আমার স্ত্রী-সন্তান আগুনে পুড়ে মরবে। আমরাতো রাজনীতি করি না, রজনীতির খোঁজও রাখি না। কিন্তু কেন আমার স্ত্রী-সন্তানকে পুড়িয়ে মারা হলো? এর জবাব কে দেবে? কার কাছে বিচার চাইবো?’

তিনি বলেন, ‘আমার স্ত্রী পুড়ে গেছেন তবুও সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরে আছেন। পুড়ে কয়লা হয়ে গেছে, চেনাই দায়। তবুও দেখা যাচ্ছে দুই হাত দিয়ে তিন বছরের সন্তানকে জড়িয়ে ধরে আছেন।’