
সরকার এখন ধসে পড়েছে মন্তব্য করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, ‘এ সরকারের কাছে চাওয়ার কিছু নেই। আমরা জয়ের মুখোমুখি, বিজয় অর্জনের প্রাক্কালে।’
তিনি বলেন, ‘সরকার বার বার চেষ্টা করেছে আমাদের সব কর্মসূচি ব্যর্থ করে দিতে। কিন্তু একটি কর্মসূচিও ব্যর্থ হয়নি। বরং কর্মসূচিগুলো অসাধারণ হয়েছে। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের একদফা আন্দোলনের লক্ষ্য বাস্তবায়ন না হবে, ততদিন সংগ্রাম চলবে। আমরা বলতে চাই, বালির বাঁধ যতই বড় দেখা যাক সে বালির বাঁধ থাকবে না। আমরা বালির বাঁধের বিরুদ্ধে।’
বিজয় দিবস উপলক্ষে সকাল থেকে মহানগর বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী নানান সাজে এনায়েত বাজার মোড়ে জড়ো হন। সেখানে সমাবেশ শেষে আবদুল্লাহ আল নোমানের নেতৃত্বে বিজয় র্যালি জুবলি রোড, তিন পুলের মাথা হয়ে নিউমার্কেট সংলগ্ন অস্থায়ী শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানান বিএনপি নেতাকর্মীরা।
বিএনপির এ জৈষ্ঠ নেতা বলেন, ‘আমাদের দলের নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী কারাগারে আছেন। অবিলম্বে তাকে মুক্তি না দিলে কারাগার ভেঙে আমরা তাকে মুক্ত করবো। আমাদের নেতা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাসসহ সব রাজবন্দিকে মুক্ত করবো। এ মুক্তি আন্দোলনের মধ্যে করতে হবে।’
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটনের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক। প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির শ্রম সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন- মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ এম এ আজিজ, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার, সৈয়দ আজম উদ্দীন, এস এম সাইফুল আলম, এস কে খোদা তোতন, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দিন, মো. শাহ আলম, ইসকান্দর মির্জা, আবদুল মান্নান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এরশাদ উল্লাহ, জয়নাল আবেদীন জিয়া, হারুন জামান, মাহবুব আলম, জসিম উদ্দিন শিকদার, এস এম আবুল ফয়েজ, আহমেদুল আলম চৌধুরী রাসেল, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, আবুল হাশেম, আনোয়ার হোসেন লিপু, গাজী মো. সিরাজ উল্লাহ, মন্জুর আলম চৌধুরী মন্জু, মো. কামরুল ইসলাম।
এছাড়া মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, বিভাগীয় শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লাহ বাহার, কেন্দ্রীয় মহিলাদলের যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, মহানগর মহিলাদলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, থানা বিএনপির সভাপতি মন্জুর রহমান চৌধুরী, মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, হাজী মো. সালাউদ্দীন, মোশাররফ হোসেন ডেপটি, আবদুস সাত্তার সেলিম, মো. সেকান্দর, হাজি হানিফ সওদাগর, আবদুল্লাহ আল হারুন, আলহাজ জাকির হোসেন, জাহিদুল হাসান, মো. শাহাবুদ্দীন, হাজী বাদশা মিয়া, জসিম উদ্দিন জিয়া, মাঈনুউদ্দীন চৌধুরী মাঈনু, মনির আহম্মেদ চৌধুরী, আবদুল কাদের জসিম, রোকন উদ্দিন মাহমুদ, জাহাঙ্গীর আলম, গিয়াস উদ্দিন ভূইয়া, কাওসার হোসেন বাবু, কৃষকদলের মো. আলমগীর, তাঁতীদলের মনিরুজ্জামান টিটু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


















