হুট করে ভারতের রপ্তানি বন্ধের খবরে দেশের বাজারে হু হু করে বাড়তে থাকে পেঁয়াজের দাম। যদিও ভারতের রপ্তানি বন্ধের পরে এখনো বাজারে পেঁয়াজের কোনো সংকট হয়নি। বরং গত কয়েকদিনে দেশি নতুন মুড়িকাটা ও গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের সরবরাহ বেশ ভালো। একই সঙ্গে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাতাসহ পেঁয়াজ। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় এই পণ্যের কোনো সংকট থাকার কথা নয় এখন। অথচ কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে মাত্র দুদিনের মধ্যে পেঁয়াজের অস্বাভাবিক দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে বছরে পেঁয়াজের চাহিদা ২৮ লাখ টন। অর্থাৎ প্রতি মাসে দরকার হয় গড়ে ২ লাখ ৩৩ হাজার টন। চলতি মৌসুমে দেশে মুড়িকাটা পেঁয়াজ আবাদ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে, যার উৎপাদন হবে প্রায় ৮ লাখ টন। এসব পেঁয়াজ এখন বাজারে আসতে শুরু করেছে। এখন থেকে ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস পর্যন্ত ওই পেঁয়াজের মাধ্যমে জোগান ঠিক থাকার কথা।
দেশে দৈনিক পেঁয়াজের চাহিদা প্রায় ৮০ লাখ কেজি। যদি ধরা হয় প্রতি কেজিতে বর্তমানে ১২০ টাকা অতিরিক্ত মুনাফা করছেন ব্যবসায়ীরা। তাহলে বর্তমানে প্রতিদিন ভোক্তার পকেট থেকে শত কোটি টাকা বাড়তি মুনাফা করছেন পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।
এমন পরিস্থিতিতে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কার্যত ভারতের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার অজুহাতে অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছেন। এ যেন ভোক্তার অর্থ লুটের মচ্ছব। এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি করে ভোক্তার পকেট থেকে দৈনিক শত কোটি টাকারও বেশি লুট হয়ে যাচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: ব্যারিস্টার মোঃ মনির হোসেন, যোগাযোগ অফিস : ১৯ তলা ইউটিসি বিল্ডিং, কাওরানবাজার, ঢাকা, ১২১৫, মোবাইল : ০১৩২৭-০২২২৮১, ইমেইল : deshnews04@gmail.com
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২-২০২৩ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি