
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এহসানুল হুুদার সহোযোগী আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে পিস্তল, পাইপগান সদৃশ অস্ত্র গুলি দেশীয় রামদা,সহ ২২ সশস্ত্র ক্যডার সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার ” প্রধান সেনাপতি ভুবন কে বাজিতপুর থানা ভিতর থেকে অন্যন সহোযোগী সহ হাতেনাতে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর ” আরো কয়েকজন অস্ত্রধারী দৌড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়,পালিয়ে যাওয়া ক্যডাররা সামাজিক ভাবে, আওয়ামী লীগের সময়কাল, পালিয়ে যাওয়ার ভোট চোর এমপি,মেয়র এর সহোযোগিতায় এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক তৈরি করে, অনৈতিক সুবিধা, অবৈধ অস্ত্র বিক্রি, চাঁদাবাজি, অপহরণ, গুম-খুনের রাজত্ব কায়েম করে সাধারণ মানুষের জান-মালের উপর হুমকি ধমকি দিয়ে আত্মসাৎ করেছিলো, তারই ধারাবাহিকতায় আওয়ামী মেয়র-এমপির প্রতিবেশী একই ইউনিয়নে বাসিন্দা হওয়ায়, সেই স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে রেজিষ্ট্রেশন বিহীন জাতীয় দলের ভুয়া ফাফরবাজ বাপ-পুতের, পাটির আনিস মার্কা বেহুদা এহসানুল হুুদা সন্ত্রাসী কায়দায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জেলা শাখার সহ- সভাপতি বাজিতপুর নিকলীর গণমানুষের অবিসংবাদিত নেতা তৃণমূল নেতাকর্মীদের আশার আলো মানবতার ফেরিওয়ালা জননেতা জনাব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সাহেব কে ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির চারবারের সাধারণ সম্পাদক কে প্রকাশ্য, এএসপি সার্কেল এর কার্যলয়,বাজিতপুর দেওয়ানী আদালতের বিচারকের বাসবভন সংলগ্ন হত্যার হুুমকি দেওয়া সাধারণ মানুষের মাঝে আতংক তৈরি করা যা ইতিমধ্যে বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ায় ভাইরাল, জনমনে আতংক, লোকমুখে আলোচনা একটাই, কিভাবে এমন লোভী মস্তিষ্ক বিকৃত মানুষের সাথে বিএনপির মতো এতো জনপ্রিয় একটি দল জোট করলো যাহা দেশবাসীর কাছে, হাস্যকর, এমন পাগল হুুদার সাথে কিসের জোট, বিএনপির নির্যাতিত তৃণমূল নেতাকর্মীদের দাবী এটাই বিগত স্বৈরাচার বিরোধী দূ:সময়ে দলের পাশে যে দাড়িয়ে ছিল তাকেই যেন বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়,আর সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এমপি হিসাবে হারানো আসন জনাব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল কে দিলেই ফিরে পাবে বলে আশা করে বাজিতপুর নিকলীর আপমর জনতা কিশোরগঞ্জ -৫ বাজিতপুর নিকলিতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার মিছিলে প্রত্যেকের হাতে হাতে রামদা, চাপাটি, রড বল্লম। মিছিল শেষে বাজিতপুর ঐতিহাসিক ডাকবাংলার মাঠে সমবেত কর্মী সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন “ইকবাল-মনির আমাকে চোখ রাঙিয়েও না, নিজেদের কবর খুরতে হবে: আমাকে যদি হামলা করতে হয় আমাকে মাইরা ফালাইতে হইবো। বাইচা থাকলে একটাও বাঁচতে পারবি না।”

এ কেমন কথা! শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের বয়স সত্তরের ঘরে। তিনি ২০০১ সালে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। ২০১৮ সালে দলের চরম দুর্দিনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন যে নির্বাচনে কয়েক হাজার নেতাকর্মী নির্বাচনে কাজ করতে গিয়ে ব্যাপক হামলা মামলার শিকার হয়েছিলেন। তিনি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির একজন সম্মানিত সদস্য। কিশোরগঞ্জ জেলা কমিটির সহসভাপতি। এমন একজন প্রবীন ত্যাগী নেতাকে যে ভাষায় শাসালেন, হুমকি দিলেন তাতে আমরা সাধারণ মানুষ চরমভাবে ভীত, শঙ্কিত। ভবিষ্যৎ বাজিতপুর নিকলি কী রাতের ভোটের, বিনা ভোটের এমপি আফজাল হোসেনের পথেই হাটছে?
তিনিও কী এমপি হয়ে আওয়ামী লীগের এমপি আফজাল হোসেনের মত বাজিতপুর নিকলিকে ত্রাসের রাজ্য বানাতে চান? তিনিও কী তার প্রতিবেশি আফজাল হোসেনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে বাজিতপুর নিকলির মানুষকে জিম্মি করতে চান?
সৈয়দ এহসানুল হুদা বয়সে নবীন, সবেমাত্র রাজনীতি করতে এলাকায় এসেছেন। গোটা জীবনই তার সামনে পড়ে আছে। তিনি কেন শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের মত একজন প্রবীন নেতাকে এভাবে হত্যার হুমকি প্রদানের মধ্য দিয়ে তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু করতে চেয়েছেন তা আমাদের মত সাধারণ মানুষদের কাছে মোটেই বোধগম্য নয়।











