ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: মৌলভীবাজারে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে বসুন্ধরা শুভসংঘ এক-এগারোর মূল পরিকল্পনাকারী মইন ও দুই সম্পাদক এক-এগারোয় খালেদা জিয়া পরিবার গ্রেপ্তির নেপথ্যে মতি-মাহফুজের চাপ: রিমান্ডে মাসুদ দারুল ইক্বরা মডেল মাদ্রাসায় কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ১৩ ছাত্রের কুরআনের সবক প্রদান অনুষ্ঠিত সিটি করপোরেশন ও প্রাসঙ্গিক একটি গল্প

আলহাজ্ব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপনে প্রতিবাদলিপি

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ১১:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫
  • ৬৬৮ টাইম ভিউ

প্রতিবাদলিপি

আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমাদের প্রিয় নেতা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাবেক সভাপতি ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত আহ্বায়ক, বাজিতপুর-নিকলীর গণমানুষের অবিসংবাদিত নেতা, মানবতার ফেরিওয়ালা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রাণ, জননেতা আলহাজ্ব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে এমন বক্তব্যের সাথে যুক্ত করা হয়েছে যা তিনি কখনো প্রদান করেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য রাখছেন, যেখানে তিনি বলেন, *”স্বৈরাচার যেসব সম্পদ ভোগ দখল করেছে, এখন পালিয়ে গেছে, ওইসব আমাদের নেতা-কর্মীরা সবাই মিলে ভোগদখল করবে।”* এটি স্পষ্টতই একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা।

উল্লেখ্য, উক্ত বক্তব্যটি দেওয়া হয় *জুলাই বিপ্লবের পর, যখন দেশে অরাজকতা বিরাজ করছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে শান্ত রাখতে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এই বক্তব্য প্রদান করেন। **প্রথম আলো প্রায় সাত মাস পর তার বক্তব্যের একটি খণ্ডিত অংশ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রয়াস।*

তিনি স্পষ্টভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের লুটপাট থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। এছাড়াও, তিনি বলেছেন যে জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল একজন সজ্জন ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ। তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট। তার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

আমরা প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি যে, তারা এই মিথ্যা ও মানহানিকর প্রতিবেদনের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায়, আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।

আমরা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে সাংবাদিকতার নৈতিকতা লঙ্ঘন করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য আমরা প্রথম আলোসহ সকল গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

*বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি*
বাজিতপুর নিকলীর আপামর জনতার পক্ষে
রানা শিকদার
যুগ্ম আহ্বায়ক
বাজিতপুর উপজেলা যুবদল

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন

আলহাজ্ব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপনে প্রতিবাদলিপি

আপডেট টাইম : ১১:০৩:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ মার্চ ২০২৫

প্রতিবাদলিপি

আমরা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করেছি যে, প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে আমাদের প্রিয় নেতা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাবেক সভাপতি ও বাজিতপুর উপজেলা বিএনপির সম্মানিত আহ্বায়ক, বাজিতপুর-নিকলীর গণমানুষের অবিসংবাদিত নেতা, মানবতার ফেরিওয়ালা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রাণ, জননেতা আলহাজ্ব শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালকে এমন বক্তব্যের সাথে যুক্ত করা হয়েছে যা তিনি কখনো প্রদান করেননি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মাইক্রোফোনে বক্তব্য রাখছেন, যেখানে তিনি বলেন, *”স্বৈরাচার যেসব সম্পদ ভোগ দখল করেছে, এখন পালিয়ে গেছে, ওইসব আমাদের নেতা-কর্মীরা সবাই মিলে ভোগদখল করবে।”* এটি স্পষ্টতই একটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা।

উল্লেখ্য, উক্ত বক্তব্যটি দেওয়া হয় *জুলাই বিপ্লবের পর, যখন দেশে অরাজকতা বিরাজ করছিল। সেই সংকটময় মুহূর্তে নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে শান্ত রাখতে এবং পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এই বক্তব্য প্রদান করেন। **প্রথম আলো প্রায় সাত মাস পর তার বক্তব্যের একটি খণ্ডিত অংশ বিকৃতভাবে উপস্থাপন করেছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার প্রয়াস।*

তিনি স্পষ্টভাবে বিএনপির নেতা-কর্মীদের লুটপাট থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। এছাড়াও, তিনি বলেছেন যে জনগণের রায়ে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ত্যাগী নেতা-কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হবে।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, জননেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল একজন সজ্জন ও নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদ। তিনি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী এবং জনগণের অধিকার রক্ষায় সর্বদা সচেষ্ট। তার ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যে এই ধরনের মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

আমরা প্রথম আলো কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালোভাবে দাবি জানাচ্ছি যে, তারা এই মিথ্যা ও মানহানিকর প্রতিবেদনের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকবে। অন্যথায়, আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বাধ্য হব।

আমরা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী, তবে সাংবাদিকতার নৈতিকতা লঙ্ঘন করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য আমরা প্রথম আলোসহ সকল গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

*বাজিতপুর উপজেলা বিএনপি*
বাজিতপুর নিকলীর আপামর জনতার পক্ষে
রানা শিকদার
যুগ্ম আহ্বায়ক
বাজিতপুর উপজেলা যুবদল