ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
“ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত? সাভারে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা দোয়া ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক আলামিন খন্দকারের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: সামাজিক মাধ্যমে মানহানির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক তাহমিনা উদ্দিনের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: অপপ্রচার, ছবি বিকৃতি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ মামলা: সাইবার ট্রাইব্যুনালে এনামুল হক আরিফের মামলা বাজিতপুরে পিস্তল গুলি দেশীয় অস্ত্রসহ ২২ জন গ্রেফতার টগি ফান ওয়ার্ল্ডে উদযাপিত হলো হ্যালোইন উৎসব সাভারে ছায়াবিথী এলাকায় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে প্রধান অতিথি লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম বসুন্ধরার আই ব্লকে উদ্বোধন করা হলো ‘হেরিটেজ সুইটস’ এর ২য় শাখা সম্পাদক জাকির হোসেনের মায়ের চোখে অস্ত্রোপচার আজ — দেশবাসীর দোয়া প্রার্থনা

জাতীয় পার্টি-আওয়ামী লীগ সমঝোতার নেপথ্যে

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৩৮ টাইম ভিউ

এবারও নির্বাচনী মাঠে নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রধান দলগুলোর নির্বাচনে আসা জরুরি। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া জাতীয় পার্টি (জাপা)। ভোটের মাঠে নিজেদের কদর বাড়াতে নানান ফন্দি-ফিকির করে দলটি। এবারও ‘নাটক’ কম হয়নি। রওশন এরশাদ-জিএম কাদের দ্বন্দ্ব, আসন বণ্টন নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক, রওশন-রাঙ্গা-ফিরোজ রশীদের ছিটকে পড়া এখনো আলোচনায়। শেষমেশ নির্বাচনে আসার ঘোষণা ও ২৬ আসনে দফা-রফা। কী ছিল এই সমঝোতার নেপথ্যে?

নানা নাটকীয়তার পর গত ২৭ নভেম্বর ২৮৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জাপা। এরপর শুরু হয় দফায় দফায় বৈঠক। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে আসন বাগানো। শেষ পর্যন্ত ২৬ আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে আওয়ামী লীগ। আর এসব সমঝোতার আসনে প্রার্থী দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। আপস-রফার এ নির্বাচনের বিষয়টি ভালোভাবে নেননি দলটির তৃণমূল নেতারা।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনের প্রথমভাগে অনেক জল্পনা জন্ম দিয়ে শেষ বিকেলে জাপা জানায় তারা নির্বাচনে থাকছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকেও জাপা মহাসচিব জানান নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের চেয়ারম্যান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বিকেলে খবর আসে, আওয়ামী লীগ এবার জাতীয় পার্টিকে ২৬টি আসনে ছাড় দিচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টার পর বনানীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। নির্বাচন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও প্রতিযোগিতামূলক হয়, আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করবো। নির্বাচন করার জন্য সব প্রার্থীকে আজ আমরা চিঠি (প্রতীক বরাদ্দের দলীয়পত্র) দিচ্ছি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু কিছু আসনে আমাদের অনেক সিনিয়র নেতা আছেন। এসব আসনে যারা নির্বাচন করেন তাদের সঙ্গে আমাদের একটা সমঝোতা হয়েছে বা হবে এমন একটা অবস্থা আছে। কিন্তু নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি এটা বড় কথা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন ছেড়ে দেয়। জাপা ২৩টি আসনে জিতে সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে। এবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় তিনটি আসন কমে যাওয়ায় জাপা নেতারা কিছুটা অসন্তুষ্ট।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

“ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত?

জাতীয় পার্টি-আওয়ামী লীগ সমঝোতার নেপথ্যে

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

এবারও নির্বাচনী মাঠে নেই শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য প্রধান দলগুলোর নির্বাচনে আসা জরুরি। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে মরিয়া জাতীয় পার্টি (জাপা)। ভোটের মাঠে নিজেদের কদর বাড়াতে নানান ফন্দি-ফিকির করে দলটি। এবারও ‘নাটক’ কম হয়নি। রওশন এরশাদ-জিএম কাদের দ্বন্দ্ব, আসন বণ্টন নিয়ে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক, রওশন-রাঙ্গা-ফিরোজ রশীদের ছিটকে পড়া এখনো আলোচনায়। শেষমেশ নির্বাচনে আসার ঘোষণা ও ২৬ আসনে দফা-রফা। কী ছিল এই সমঝোতার নেপথ্যে?

নানা নাটকীয়তার পর গত ২৭ নভেম্বর ২৮৯ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে জাপা। এরপর শুরু হয় দফায় দফায় বৈঠক। যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতাসীনদের কাছ থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে আসন বাগানো। শেষ পর্যন্ত ২৬ আসন ছাড়তে রাজি হয়েছে আওয়ামী লীগ। আর এসব সমঝোতার আসনে প্রার্থী দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা। আপস-রফার এ নির্বাচনের বিষয়টি ভালোভাবে নেননি দলটির তৃণমূল নেতারা।

রোববার (১৭ ডিসেম্বর) দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনের প্রথমভাগে অনেক জল্পনা জন্ম দিয়ে শেষ বিকেলে জাপা জানায় তারা নির্বাচনে থাকছে। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকেও জাপা মহাসচিব জানান নির্বাচনে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের চেয়ারম্যান সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবেন।

বিকেলে খবর আসে, আওয়ামী লীগ এবার জাতীয় পার্টিকে ২৬টি আসনে ছাড় দিচ্ছে। বিকেল সাড়ে ৩টার পর বনানীতে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মো. মুজিবুল হক চুন্নু আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দিয়ে বলেন, আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো। নির্বাচন যাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ও প্রতিযোগিতামূলক হয়, আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করবো। নির্বাচন করার জন্য সব প্রার্থীকে আজ আমরা চিঠি (প্রতীক বরাদ্দের দলীয়পত্র) দিচ্ছি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু কিছু আসনে আমাদের অনেক সিনিয়র নেতা আছেন। এসব আসনে যারা নির্বাচন করেন তাদের সঙ্গে আমাদের একটা সমঝোতা হয়েছে বা হবে এমন একটা অবস্থা আছে। কিন্তু নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি এটা বড় কথা।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পার্টিকে ২৯টি আসন ছেড়ে দেয়। জাপা ২৩টি আসনে জিতে সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে। এবার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতায় তিনটি আসন কমে যাওয়ায় জাপা নেতারা কিছুটা অসন্তুষ্ট।