ঢাকা , শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
তীব্র গরমে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পাশে রাজধানী মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি বসুন্ধরা খাতার আয়োজনে বিএম কলেজে মার্কেটিং ফেস্ট দেশের জেলা-উপজেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ: প্রেক্ষিত ঝিনাইদহ জেলা “ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষিভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৬” ঠিক কতটা যুক্তিসঙ্গত? সাভারে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা দোয়া ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক আলামিন খন্দকারের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: সামাজিক মাধ্যমে মানহানির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে সাংবাদিক তাহমিনা উদ্দিনের সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা: অপপ্রচার, ছবি বিকৃতি ও চাঁদা দাবির অভিযোগ ইয়াসিন মাহমুদের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও সাইবার অপরাধ মামলা: সাইবার ট্রাইব্যুনালে এনামুল হক আরিফের মামলা বাজিতপুরে পিস্তল গুলি দেশীয় অস্ত্রসহ ২২ জন গ্রেফতার টগি ফান ওয়ার্ল্ডে উদযাপিত হলো হ্যালোইন উৎসব

সীমান্তের ওপারের শক্তির বিরুদ্ধেও লড়তে হচ্ছে: মোস্তফা জামাল

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১২২ টাইম ভিউ

আন্দোলন শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয় উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, আমরা আন্দোলন করছি একটি বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে। যারা আমাদের সীমান্ত রেখার ওপার থেকে দেশের সব কিছু কন্ট্রোল করছে, তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের লড়তে হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, চলমান আন্দোলনে বিএনপিসহ যে সব সমমনা দলগুলো রাজপথে আছে, তাদের মধ্যে ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু আমি মনে করি, মূল সমস্যাটা সেখানে নয়। একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, আজ আমরা যে আন্দোলন করছি তা কেবল যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তা নয়। আমরা আন্দোলন করছি একটি বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে। যারা আমাদের সীমান্ত রেখার ওপার থেকে দেশের সব কিছু কন্ট্রোল করছে।

সীমান্তের ওপার থেকে অদৃশ্য শক্তি দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা পালন করায় আন্দোলন সফল হচ্ছে না উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের এই প্রধান বলেন, আগে পুলিশ গুলি করতো হাঁটুর নিচে, আর এখন গুলি করে বুকের ওপরে। শুধু তাই নয়, সীমান্তের ওপার থেকে একটা অদৃশ্য শক্তি গণআন্দোলন বলেন বা সরকারবিরোধী আন্দোলনই বলেন, তাতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং দেশের নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শুধু আজ নয়, ১৪ এবং ১৮ সালে তারা প্রত্যক্ষভাবে এসে এখানে হস্তক্ষেপ করেছে। সুজাতা সিংয়ের কথা আমরা তো ভুলে যেতে পারি না। আজকে যারা বলছে আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবো না। তাহলে সেদিন যে সুজাতা সিং বাংলাদেশে এসেছিলেন সেটা তো জায়েজ ছিল সে কথা বললে চলবে না।

চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন কেন ব্যর্থ হচ্ছে এ বিষয়ে ১২ দলীয় জোটপ্রধান বলেন, বর্তমান আন্দোলন বিএনপির কারণে সফল হচ্ছে না এ কথা মানতে রাজি নই আমি। একটা মৌলিক পরিবর্তন বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে লক্ষ্য করছি। তা হচ্ছে, আজকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে আমরা যথোপযুক্ত কথা বলতে সম্ভবত ব্যর্থ হচ্ছি। এই বিষয়টাকে আজ আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে সামনে নিয়ে আসতে হবে।

আগামী দিনের আন্দোলন সফল হবে এমন আশা করে মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, প্রকৃত শত্রু এবং সমস্যাকে চিহ্নিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সামরিক শাসনের কোনো পার্থক্য নেই। ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ জনগণের কোনো সমর্থন নেয়নি। আওয়ামী লীগ কেন ক্ষমতা থাকতে চায়? লুটপাট করার জন্য বিনাভোটে ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা।

তিনি বলেন, দেশের বড় বড় প্রকল্পের ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে লুটপাট করেছে সরকার। আওয়ামী লীগের অধীনে গত ১৫ বছরে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিজের নিজেরা মারামারি করে খান খান হয়ে যাবে।

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

তীব্র গরমে পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের পাশে রাজধানী মোহাম্মদপুর থানা বিএনপি

সীমান্তের ওপারের শক্তির বিরুদ্ধেও লড়তে হচ্ছে: মোস্তফা জামাল

আপডেট টাইম : ০৫:৪৪:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩

আন্দোলন শুধু আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নয় উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের প্রধান ও জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, আমরা আন্দোলন করছি একটি বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে। যারা আমাদের সীমান্ত রেখার ওপার থেকে দেশের সব কিছু কন্ট্রোল করছে, তাদের বিরুদ্ধেও আমাদের লড়তে হচ্ছে।

শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, চলমান আন্দোলনে বিএনপিসহ যে সব সমমনা দলগুলো রাজপথে আছে, তাদের মধ্যে ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু আমি মনে করি, মূল সমস্যাটা সেখানে নয়। একটা কথা ভুলে গেলে চলবে না, আজ আমরা যে আন্দোলন করছি তা কেবল যে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তা নয়। আমরা আন্দোলন করছি একটি বৃহৎ শক্তির বিরুদ্ধে। যারা আমাদের সীমান্ত রেখার ওপার থেকে দেশের সব কিছু কন্ট্রোল করছে।

সীমান্তের ওপার থেকে অদৃশ্য শক্তি দেশের রাজনীতিতে ভূমিকা পালন করায় আন্দোলন সফল হচ্ছে না উল্লেখ করে ১২ দলীয় জোটের এই প্রধান বলেন, আগে পুলিশ গুলি করতো হাঁটুর নিচে, আর এখন গুলি করে বুকের ওপরে। শুধু তাই নয়, সীমান্তের ওপার থেকে একটা অদৃশ্য শক্তি গণআন্দোলন বলেন বা সরকারবিরোধী আন্দোলনই বলেন, তাতে মৌলিক ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এবং দেশের নির্বাচনকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য শুধু আজ নয়, ১৪ এবং ১৮ সালে তারা প্রত্যক্ষভাবে এসে এখানে হস্তক্ষেপ করেছে। সুজাতা সিংয়ের কথা আমরা তো ভুলে যেতে পারি না। আজকে যারা বলছে আমরা বাংলাদেশের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবো না। তাহলে সেদিন যে সুজাতা সিং বাংলাদেশে এসেছিলেন সেটা তো জায়েজ ছিল সে কথা বললে চলবে না।

চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন কেন ব্যর্থ হচ্ছে এ বিষয়ে ১২ দলীয় জোটপ্রধান বলেন, বর্তমান আন্দোলন বিএনপির কারণে সফল হচ্ছে না এ কথা মানতে রাজি নই আমি। একটা মৌলিক পরিবর্তন বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে লক্ষ্য করছি। তা হচ্ছে, আজকে সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে আমরা যথোপযুক্ত কথা বলতে সম্ভবত ব্যর্থ হচ্ছি। এই বিষয়টাকে আজ আমাদের জাতীয় রাজনীতিতে সামনে নিয়ে আসতে হবে।

আগামী দিনের আন্দোলন সফল হবে এমন আশা করে মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, প্রকৃত শত্রু এবং সমস্যাকে চিহ্নিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সামরিক শাসনের কোনো পার্থক্য নেই। ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ জনগণের কোনো সমর্থন নেয়নি। আওয়ামী লীগ কেন ক্ষমতা থাকতে চায়? লুটপাট করার জন্য বিনাভোটে ক্ষমতায় আসছে আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রীরা।

তিনি বলেন, দেশের বড় বড় প্রকল্পের ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি করে লুটপাট করেছে সরকার। আওয়ামী লীগের অধীনে গত ১৫ বছরে কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিজের নিজেরা মারামারি করে খান খান হয়ে যাবে।