ঢাকা , বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না! আবাসন খাতে চরম মন্দা: অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে বিশেষ প্রণোদনার তাগিদ পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ: গ্রামীণ বাংলাদেশের ভাগ্যবদল করছেন তারেক রহমান বাজেট ২০২৬-২৭: চ্যালেঞ্জ উত্তরণে ত্রিমুখী কৌশলের বিকল্প নেই ইউনূস সরকারের রেখে যাওয়া ‘অবসাদ’ ও আমলাতান্ত্রিক দেওয়াল: বাজেট বাস্তবায়নে মূল বাধা ভার্চুয়াল জগৎ যখন অপরাধের ফাঁদ: কিশোর গ্যাংয়ের নেপথ্যে স্মার্টফোন ইউনূসের কালো আইনে অর্থনীতির সর্বনাশ তরুণদের খেলাধুলায় ফেরাতে গাংনীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের তিন মাসব্যাপী ফুটবল বিতরণ কর্মসূচি বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা মুগদায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাদকবিরোধী আলোচনা ও শপথ

চলতি হিসাবে টাকা নেই পাঁচ ইসলামি ব্যাংকের, লেনদেন বন্ধের ঝুঁকি

  • Avatar
  • আপডেট টাইম : ০৫:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ১৬৫ টাইম ভিউ

দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সেবা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। টাকার ঘাটতির (বিধিবদ্ধ তারল্য) কারণে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে এসব ব্যাংককে।

এই পাঁচ ব্যাংককে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি হিসাবের স্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ঋণাত্মক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলতি হিসাবের টাকার ঘাটতি পূরণ করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। না হলে এসব ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

 

যেসব ব্যাংককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। গত ২৮ নভেম্বর ব্যাংক পাঁচটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের এ চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

 

জানা যায়, এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবের স্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ঋণাত্মক থাকার বিষয়টি বারবার অবহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ব্যাংকগুলো। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয়ে ২০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে। যদিও এসব ব্যাংকের চলতি হিসাব ঋণাত্মক হলেও লেনদেন হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত অর্থ রাখতে না পারলে লেনদেন বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এসব ব্যাংককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ‘বিএসিএইচ সেটেলমেন্ট জটিলতা প্রসঙ্গে’ শিরোনামে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, ‘মতিঝিল অফিসের ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট বিভাগে রক্ষিত আপনাদের চলতি হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লিয়ারিং পেমেন্ট সিস্টেমে লেনদেন (আন্তঃব্যাংক লেনদেন) সম্পন্ন হয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম, বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন), ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ও রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস)। দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের চলতি হিসাবের স্থিতি ঋণাত্মক, যা স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’

 

ট্যাগ:

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক তথ্য সম্পর্কে
Avatar

জনপ্রিয় পোস্ট

ছয় শিশুর মৃত্যুর বিচার হয়, ছয়শ শিশুর ঘাতকরা শাস্তি পায় না!

চলতি হিসাবে টাকা নেই পাঁচ ইসলামি ব্যাংকের, লেনদেন বন্ধের ঝুঁকি

আপডেট টাইম : ০৫:১৮:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২৩

দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সেবা বন্ধের উপক্রম হয়েছে। টাকার ঘাটতির (বিধিবদ্ধ তারল্য) কারণে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে এসব ব্যাংককে।

এই পাঁচ ব্যাংককে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকগুলোর সঙ্গে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের চলতি হিসাবের স্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ঋণাত্মক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চলতি হিসাবের টাকার ঘাটতি পূরণ করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। না হলে এসব ব্যাংকের লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

 

যেসব ব্যাংককে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক। গত ২৮ নভেম্বর ব্যাংক পাঁচটির ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের এ চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

 

জানা যায়, এসব ব্যাংকের চলতি হিসাবের স্থিতি দীর্ঘদিন ধরে ঋণাত্মক থাকার বিষয়টি বারবার অবহিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও উল্লেখযোগ্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি ব্যাংকগুলো। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি হিসাবের ঋণাত্মক স্থিতি সমন্বয়ে ২০ দিনের সময় বেঁধে দিয়েছে। যদিও এসব ব্যাংকের চলতি হিসাব ঋণাত্মক হলেও লেনদেন হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত অর্থ রাখতে না পারলে লেনদেন বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এসব ব্যাংককে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ‘বিএসিএইচ সেটেলমেন্ট জটিলতা প্রসঙ্গে’ শিরোনামে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়, ‘মতিঝিল অফিসের ডিপোজিট অ্যাকাউন্ট বিভাগে রক্ষিত আপনাদের চলতি হিসাবের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্লিয়ারিং পেমেন্ট সিস্টেমে লেনদেন (আন্তঃব্যাংক লেনদেন) সম্পন্ন হয়ে থাকে। এর মধ্যে রয়েছে- বাংলাদেশ অটোমেটেড চেক প্রসেসিং সিস্টেম, বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (বিইএফটিএন), ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ (এনপিএসবি) ও রিয়েল টাইম গ্রস সেটেলমেন্ট (আরটিজিএস)। দীর্ঘদিন ধরে আপনাদের চলতি হিসাবের স্থিতি ঋণাত্মক, যা স্বাভাবিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।’